রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২২ পূর্বাহ্ন
ভয়েস প্রতিবেদক:
কক্সবাজার শহরের এর উন্নয় কার্যক্রমের দৃশ্য দেখে মনে হচ্ছে জনস্বার্থ উপেক্ষিত!
তা নাহলে এপাইপ গুলো আরও তিন থেকে চার ফিট নীচে যাওয়ার কথা। যে ভাবে কাজ চলছে সুয়ারেজ পাইপের উপর আারও তিন ফিট রাস্তার সলিং দিতে হবে, ফলে প্রধান সড়কের দুপাশের স্থাপনা সমূহ ৯০ শতাংশ রাস্তা আর ড্রেইন এর নীচে চলে যাবে।
আমাদের এখানে অদ্ভুত বিষয় হচ্ছে যখনই কোন সড়কের সংস্কার করা হয় তখনই উপরে মাটি আর সলিং! আমেল নেয়া হয় না আশপাশের জনগণের কোটি কোটি টাকার স্থাপনার ভবিষ্যৎ! যা কোন বিবেকবান বিভাগের কাছে একটি গনতান্ত্রিক দেশের জনগণের কাম্য নয়।
উন্নত দেশে হলে এসব কিছুর জন্য public rights এ কয়েক ডজন মামলা হতো। এর বাইরে এতবড় কর্মযজ্ঞে কোন Public safety indication, বিকল্প সংযোগ নাই! ফলে পাইপের গর্তে পথচারী সহ গাড়ি পড়ে যাচ্ছে। রাস্তায় শিশু প্রসব হচ্ছে। সময়মত জরুরি স্বাস্থ্য সেবা বঞ্চিত হচ্ছে কর্ম এলাকার জনগণ!অপরদিকে কউক এবং পৌর কতৃপক্ষের মাঝে চরম সমন্বয়হীনতা দৃশ্যমান।
কতৃপক্ষের বুঝা উচিত কেবল অবকাঠামোগত উন্নয় উন্নয় নয়। যে সমাজ ব্যবস্থা জনস্বার্থ আর জননিরাপত্তা বিবেচনা করে না সেই উন্নয়ন টেকসই হয় না। তা হয়ে উঠে মুষ্টিমেয়দের সম্পদ।
সুতরাং সময়ে সবকিছুর জবাবদিহিতা আছে। জনগণের যৌক্তিক চাহিদা /পরামর্শ আমলে নিতে হবে। এটাই গনতন্ত্র, এটাই সামাজিক মর্যাদা, ন্যায় বিচার, এটাই ৭১ এর চেতনা। সুত্র: আবু মোরশেদ চৌধুরীর ফেসবুক থেকে।
ভয়েস/ জেইউ।